Wednesday, July 13, 2011

মুম্বাই বিষ্ফোরণ এবং মিলটন

কালকে রাতে খবর দেখতে একটু দেরী হয়ে গিয়েছিল। রাতের খাওয়াদাওয়া শেষ করে যখন চালালাম টিভিটা, তখন জানতে পারলাম পর পর বিষ্ফোরণ ঘটেছে মুম্বাইএ। কি ভয়ঙ্কর অনিশ্চয়তা তৈরী হয়েছে সেই মুহূর্তে আপনি ভেবে দেখুন সেই সব মানুষ গুলির বাড়ীতে যারা জীবিকার প্রয়োজনে বাইরে তখন। কিছু দিন ধরেই খুব অনিশ্চয়তায় ভুগি বিনা কারণেই। কেন এমন হয় জানি না। কিন্তু মেয়ে স্কুল গেলে মনে হয়, ঠিক ঠাক ফিরবে তো ও। বউ অফিস গেলে, যতক্ষণ না ফিরে আসে বাড়ী, কি যেন গলার কাছে আটকে থাকে। আমি কি কোন কারণে বেশী হাইপারটেন্সড হয়ে পড়ছি? জানি না। তবে মনে পড়ে মহাকবি মিলটনের কথা। ১৬৩৭ সালে ওনার বন্ধু এডওয়ার্ড কিং এক মর্মান্তিক জাহাজ দুর্ঘটনায় মারা যান। তাঁর স্মৃতিতে মিলটন লেখেন Lycydas। এই কবিতায় বন্ধু হারানোর বেদণা যেমন ফুটে উঠেছে, তেমনই পরিষ্ফুট হয়েছে ওনার নিজের জীবনের অনিশ্চয়তা, আর্তি। কি জানি মুম্বাইয়ের এই বিষ্ফোরণের ফলে কেউ Lycidas লিখবে কি না।

Tuesday, July 12, 2011

যা গেছে তা যাক

বাংলায় এখন নতুন জোয়ার। দিদির উৎসাহের সঙ্গী আমরা সবাই। কিন্তু, হাঁ, কিন্তু একটা থেকেই যাচ্ছে। কতটা সত্যি কাজ হচ্ছে, তা নিয়ে একটা সংশয় থেকেই যাচ্ছে। শুনছি নাকি কলকাতার রাস্তার ট্রাফিক সিগনালে রবীন্দ্রসংগীত বাজবে। কিন্তু এও তো শোনা যায়, বাংলার হাঁড়ির হাল আগেকার সরকার ভাঁড়ে মা ভবানী করে রেখে গেছে। কেন্দ্র সরকার বেঙ্গল প্যাকেজ দিয়ে রাজ্য কে উদ্ধার করতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু আদতে সে তো দানই। ভিক্ষের পয়সায় ফোফর দালালি মারা কি চলে? এদিকে তো সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘভাতার ব্যাপারে দিদি নিশ্চুপ। বাজারে সব জিনিষের দাম তো আগুন। অথচ কাগজে পড়ছি যে খাদ্যের মুদ্রাস্ফীতি তাৎপূর্য ভাবে কমে গেছে। কিছুই বুজছি না বাবা।